Bablu Malakar

पवित्र वेद धर्म मानव मात्र का एक है, मानवों के धर्म अलग अलग नहीं होते

মায়া, মহামায়া ও যোগমায়ার মধ্যে পার্থক্য কি?

মায়া— কারো প্রতি আদর, সোহাগ, স্নেহ, ভালোবাসা, ভক্তি, শ্রদ্ধা, মমতা বা হৃদয়ের টানকে মায়া বলে। হিন্দু দর্শনের অদ্বৈত বেদান্ত দর্শনে, মায়া হল "শক্তিশালী শক্তি যা মহাজাগতিক বিভ্রম সৃষ্টি করে যে অভূতপূর্ব পৃথিবী বাস্তব।

মহামায়া— মহামায়া হল হিন্দু দর্শনে বর্ণিত পরমেশ্বরী শক্তি। নাগোজীভট্টী টীকা অনুসারে মহামায়া “বিসদৃশ-প্রতীতি-সাধিকা ঈশ্বরশক্তি”। তত্ত্বপ্রকাশিকা টীকা মতে মহামায়াই হল “অঘটন-ঘটন-পটীয়সী ব্রহ্মাত্মিকা শক্তি”। ঈশ্বর সৃষ্টি, পালন, সংহার ও জন্ম লীলা প্রভৃতি কার্য এই মহাশক্তির সাহায্যেই সম্পাদন করেন বলে হিন্দুদের বিশ্বাস।

যোগমায়া— যোগমায়া অনাদি অনির্বাচ্য অজ্ঞান।
শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ 'মায়া' শক্তির দুটো বৈশিষ্ট্য যোগ করে ভক্তকে সংশয় থেকে মুক্তি দিয়েছেন। 'দৈবী' বা অলৌকিক, আর 'গুণময়ী' বা ত্রিগুণময়ী সত্ত্ব, রজঃ ও তমঃ। এই মায়াকে ‘মহামায়া' বা 'যোগমায়া'র সঙ্গে জড়িয়ে ফেলার প্রবণতা থেকেও আমাদের তিনি মুক্ত করেন। ‘অবিদ্যাময়' জগতে মায়া, 'বিদ্যাময়' জগতে মহামায়া আর 'ভগবানের লীলাময় চিৎ শক্তির প্রকাশে’ যোগমায়া।

জয় শ্রীকৃষ্ণ, জয় শ্রীরাম
জয় মা আদ্যাশক্তি, হর হর মহাদেব।

শ্রী বাবলু মালাকার
সনাতন ধর্মের প্রচারক, বাংলাদেশ।

Post a Comment

0 Comments