(অথর্ববেদ ১/২৩/১), (অথর্ববেদ ১/২৩/২),
(অথর্ববেদ ১/২৩/৩), (অথর্ববেদ ১/২৩/৪)।
নক্তং জাতাস্যোষধে রামে কৃষ্ণে অসিক্নি চ। ইদং রজনি রজয় কিলাস পলিতং চ যৎ।। (অথর্ববেদ ১/২৩/১)।
নক্তং জাতাস্যোষধে রামে কৃষ্ণে অসিক্নি চ। ইদং রজনি রজয় কিলাস পলিতং চ যৎ।। (অথর্ববেদ ১/২৩/১)।
অনুবাদঃ— হে ওষধি! তুমি রাত্রিতে উৎপন্ন। তোমার রামবর্ণ অথবা হে ভৃঙ্গরাজাখ্য ওষুধি (রামে), হে কৃষ্ণবর্ণা ঔষধি, অথবা নীলবর্ণা ওষধি। হে রজনী! তুমি এই কুষ্ঠ (কিলাসম্) এবং পলিত অঙ্গকে অথবা (কেশকে) রঞ্জিত কর (লেপন কর) ।।১।।
ভাষার্থঃ— (ঔষধে) ঔষুধি তুমি (নক্তজাতা) রাত্রিতে উৎপন্ন (অসি) হও, যে তুমি (রামে) রমন কারক (কৃষ্ণে) চিত্তকে আকর্ষন কারক (চ) এবং (অসিক্লি) পূর্ণ সার সম্পন্ন (রজনি) হে উত্তম অঙ্গ কারক! তুমি (ইদম্) এই (যত্) যে (কিলাসম্) রূপের হানিকারক কুষ্ট আদি (চ) এবং (পলিতম্) শরীরে শ্বেতপন রোগ [তাহাকে] (রজয়) রঙ প্রদান করো।
★ নক্তং জাতস্য হল একটি পদ অর্থাৎ চন্দ্রের সমান মুখ যার।
★ ওষ অথবা দোষ শব্দ উপপদ রেখে ধেট্ ধাতু দ্বারা কর্মে কি প্রত্যয় হয়ে ওষধি শব্দ তৈরী হয়। ওষধয়তে যে ত্রিবিধ তাপের পান = নাশ করে তার নাম ওষধি।
★ কিলাস = কিল+আস। যে ক্রীড়া দূর করে তা হল কিলাস। ক্রীড়া-বিরক্ত।
★ পলিত = শুভ্র কেশ (শ্বেত কেশ)। এখানে রাজা দশরথকে বোঝানো হয়েছে।
★ রজনী অর্থ পতির রন্জনকারিনী পত্নী। আবার, র= রাম, জমি = জন্ম। অর্থাৎ রামের জন্ম যার থেকে তিনিই রজনী। অর্থাৎ কৌশল্যা দেবী।
★ আসিক্নি = যে স্ত্রীর কেশ এখনো শুভ্র হয়নি। অর্থাৎ যার মৃত্যু এখনো অনেক দূরে। এখানেও তাৎপর্য্য কৌশল্যা দেবীই।
ওঁ শান্তি! ওঁ শান্তি! ওঁ শান্তি!
জয় শ্রীরাম
ভাষার্থঃ— (ঔষধে) ঔষুধি তুমি (নক্তজাতা) রাত্রিতে উৎপন্ন (অসি) হও, যে তুমি (রামে) রমন কারক (কৃষ্ণে) চিত্তকে আকর্ষন কারক (চ) এবং (অসিক্লি) পূর্ণ সার সম্পন্ন (রজনি) হে উত্তম অঙ্গ কারক! তুমি (ইদম্) এই (যত্) যে (কিলাসম্) রূপের হানিকারক কুষ্ট আদি (চ) এবং (পলিতম্) শরীরে শ্বেতপন রোগ [তাহাকে] (রজয়) রঙ প্রদান করো।
★ নক্তং জাতস্য হল একটি পদ অর্থাৎ চন্দ্রের সমান মুখ যার।
★ ওষ অথবা দোষ শব্দ উপপদ রেখে ধেট্ ধাতু দ্বারা কর্মে কি প্রত্যয় হয়ে ওষধি শব্দ তৈরী হয়। ওষধয়তে যে ত্রিবিধ তাপের পান = নাশ করে তার নাম ওষধি।
★ কিলাস = কিল+আস। যে ক্রীড়া দূর করে তা হল কিলাস। ক্রীড়া-বিরক্ত।
★ পলিত = শুভ্র কেশ (শ্বেত কেশ)। এখানে রাজা দশরথকে বোঝানো হয়েছে।
★ রজনী অর্থ পতির রন্জনকারিনী পত্নী। আবার, র= রাম, জমি = জন্ম। অর্থাৎ রামের জন্ম যার থেকে তিনিই রজনী। অর্থাৎ কৌশল্যা দেবী।
★ আসিক্নি = যে স্ত্রীর কেশ এখনো শুভ্র হয়নি। অর্থাৎ যার মৃত্যু এখনো অনেক দূরে। এখানেও তাৎপর্য্য কৌশল্যা দেবীই।
ওঁ শান্তি! ওঁ শান্তি! ওঁ শান্তি!
জয় শ্রীরাম
জয় শ্রীকৃষ্ণ
হর হর মহাদেব
শ্রী বাবলু মালাকার
(সনাতন ধর্মের প্রচারক)
হর হর মহাদেব
শ্রী বাবলু মালাকার
(সনাতন ধর্মের প্রচারক)
0 Comments
ওঁ তৎ সৎ
নমস্কার