Bablu Malakar

पवित्र वेद धर्म मानव मात्र का एक है, मानवों के धर्म अलग अलग नहीं होते

বৈদিক সভ্যতা | বৈদিক সভ্যতার ৭০ টি প্রশ্নোত্তর মালা তৃতীয় পর্ব


বৈদিক সভ্যতা | বৈদিক সভ্যতার ৭০ টি ছোট প্রশ্ন সনাতন ধর্মের অল্পকিছু তথ্য ও প্রশ্নোত্তর,

Vedic Civilization Question Answer in Bengali.

প্রাচীন সভ্যতা গুলির মধ্যে একটি হলো বৈদিক সভ্যতা। ৫ হাজার বছর আগে তৈরী হওয়া এই সভ্যতা ছিল মিশরীয় সভ্যতা ও রোমান ও গ্রিক সভ্যতা সমসাময়িক বিষয় নিয়ে নিচে বৈদিক সভ্যতা সম্বন্ধীয় ৭০ টি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন দেওয়া হলো।  

১) ‘আর্য’ (Aryan) শব্দটি বোঝায়— 

উত্তরঃ— একটি ভাষাগোষ্ঠী।

২) ঋগ্বেদের বৈদিক যুগে কাকে আলোর দেবতা হিসেবে পুজো করা হত ? 

উত্তরঃ— মিত্র।

৩) ঋগ্বেদে শুতুদ্রি বলতে কি বোঝানো হত ? 

উত্তরঃ— নদীর নাম।

৪) বৈদিক যুগে ‘খিল্য’ বলতে কি বোঝানো হত ? 

উত্তরঃ— কর্ষিত ভূমি।

৫) ‘পুরুষসূক্ত’ এর বিষয় কি ছিল— 

উত্তরঃ— বিশ্বসৃষ্টির রহস্য।

৬) বৈদিক যুগে প্রচলিত মুদ্রার নাম কি ছিল ? 

উত্তরঃ— নিষ্ক। 

৭) অথর্ববেদের খন্ড সংখ্যা কত ?

উত্তরঃ— ২০ টি।

৮) বৈদিক যুগে পশুচারণভূমি এর তদারকির দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যক্তিদের কি বলা হত ? 

উত্তরঃ— ব্রজপতি।

৯) বেদকে অপৌরুষেয় বলা হয়, এর কারণ কি ? 

উত্তরঃ— বেদ মনুষ্যরচিত নয়।

১০) ‘আর্য’, ‘ইন্দো-আরিয়ান’, ‘ইন্দো-ইউরোপিয়ান’ প্রভৃতি শব্দ গুলি কিসের ধারণা দেয় ? 

উত্তরঃ— ভাষাগত ধারণা। 

১১) আর্যদের আদি বাসভূমি ছিল কিরঘিজ স্তেপ ’ — এই অভিমতটি কে ব্যাক্ত করেছেন ? 

উত্তরঃ— ব্রান্ডেনস্টাইন 

১২) ‘কার্পাস’ শব্দটির উল্লেখ প্রথম কার রচনায় পাওয়া যায় ? 

উত্তরঃ— পাণিনি।

১৩) বৈদিক যুগের একজন রণকুশলী নারী হলেন— 

উত্তরঃ— মুদগলানী।

১৪) ঋগ্বেদে 'অঘ্ন‍্য' (যা হননযোগ্য নয়) শব্দটি কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়েছে ? 

উত্তরঃ— গাভী।

১৫) উপনয়ন প্রথা সম্পর্কিত প্রথম বিস্তর বিবরণ পাওয়া যায়— 

উত্তরঃ— শতপথ ব্রাহ্মণে।

১৬) বৈদিক যুগে ‘শতঅরিত্র নৌ’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে ? 

উত্তরঃ— একশত দাড়বিশিষ্ট নৌকা 

১৭) সংস্কৃতির সঙ্গে গ্রিক, ল্যাটিন প্রভৃতি ভাষার সাদৃশ্য থাকায় এগুলির ভাষাগত উৎস একই— এই অভিমত টি কার ? 

উত্তরঃ— উইলিয়াম জোনস।

১৮) বৈদিক সভ্যতায় 'কৌলাল' কোন পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ? 

উত্তরঃ— কুম্ভকার।

১৯) পরবর্তী বৈদিক যুগে উল্লিখিত 'শৈলুষ' শব্দটি কি অর্থে ব্যবহৃত হত ? 

উত্তরঃ— অভিনেতা 

২০) পরবর্তী বৈদিক যুগের কর আদায়কারী কর্মচারীরা কি নামে পরিচিত ছিল ? 

উত্তরঃ— ভাগদূখ। 

২১) আর্যদের বিষয়ে তথ্য দেয় এমন একটি লিপি হল— 

উত্তরঃ— বোঘাজকয় লিপি। 

২২) বৈদিক যুগের কোন রাজনৈতিক সভা 'নারিস্তা' নামেও পরিচিত ? 

উত্তরঃ— সভা। 

২৩) সাংখ্যদর্শনের রচয়িতা কে ? 

উত্তরঃ— কপিল।

২৪) পরবর্তী বৈদিক যুগে আর্যরা কোন অঞ্চলে বসতি স্থাপন করেছিলেন ? 

উত্তরঃ— গঙ্গা-যমুনা দোয়াব অঞ্চলে 

২৫) বৈদিক আর্যদের বাড়ি ঘর নির্মাণের প্রধান উপকরণ কি ছিল ? 

উত্তরঃ— পোড়া ইট। 

২৬) বৈদিক সাহিত্যে ‘পুরচরিষ্ণু’ বলতে বোঝানো হয়েছে?

উত্তরঃ— চলমান দুর্গকে।

২৭) ‘ইষুকার’ বলতে যে পেশার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিকে বোঝানো হত, তা হল— 

উত্তরঃ— তীরনির্মাতা।

২৮) বৈদিক যুগের ধর্মচর্চার কেন্দ্র ছিল?

উত্তরঃ— যঞ্জ। 

২৯) বৈদিক সমাজের চতুরাশ্রম প্রথার বিস্তারিত বিবরণ কোথায় পাওয়া গেছে ? 

উত্তরঃ— ঋগ্বেদের ‘পুরুষসূক্ত’। 

৩০) বৈদিক সাহিত্যের শেষতম অধ্যায় ‘উপনিষদ’ এর অপর নাম কি ? 

উত্তরঃ— বেদান্ত। 

৩১) বৈদিক যুগের রাজারা সাধারণ মানুষের থেকে যে কর আদায় করতেন, সেটি ছিল?

উত্তরঃ— বলি।

৩২) ‘দশরাজার’ যুদ্ধ কোন নদীর তীরে হয়েছিল? 

উত্তরঃ— পুরুষ্নী (রাভি)।

৩৩) পরবর্তী বৈদিক যুগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দেবতা ছিলেন?

উত্তরঃ— প্রজাপতি।

৩৪) বৈদিক আর্যদের রচিত বেদের গদ্যাংশ সাহিত্যটি হল—

উত্তরঃ— ব্রাহ্মণ।

৩৫) কোন বণিক সম্প্রদায় এর অস্তিত্ব পরবর্তী বৈদিক যুগে লক্ষ করা যায় না ? 

উত্তরঃ— বঙ্গবণিক।

৩৬) পরবর্তী বৈদিক যুগে শূদ্রদের দেবতারূপে কার উল্লেখ পাওয়া যায় ? 

উত্তরঃ— পুষান।

৩৭) বেদের কোন অংশটি গদ্য-পদ্য উভয় ভাষায় সংকলিত ? 

উত্তরঃ— যজুর্বেদে।

৩৮) বৈদিক যুগের দুটি উল্লেখযোগ্য শহর হল?

উত্তরঃ— হস্তিনাপুর ও কোশাম্বী। 

৩৯) পরবর্তী বৈদিক সমাজে ‘রাষ্ট্রগোপ’ বলতে কোন ব্যক্তিকে বোঝানো হত ?

উত্তরঃ— পুরোহিত। 

৪০) বানপ্রস্থাশ্রম পালনের জন্য নির্ধারিত বয়স সীমা ছিল—

উত্তরঃ— ৫০-৭৫ বছর।

৪১) বৈদিক সমাজে প্রচলিত ‘নিয়োগপ্রথা’-র অর্থ ছিল—

উত্তরঃ— স্বামী ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তির থেকে পুত্রসন্তান লাভ। 

৪২) বেদাঙ্গের কোন অংশে শ্রৌতসূত্র, গৃহ‍্যসূত্র, এবং ধর্মসূত্রের উল্লেখ পাওয়া যায় ? 

উত্তরঃ— কল্পসূত্রে।

৪৩) আর্যদের কাছে সিন্ধুর অধিবাসীরা কি নামে পরিচিত ছিল ? 

উত্তরঃ— দশায়ুস। 

৪৪) বৈদিক যুগে কোন ক্ষেত্রটি রথ নির্মাণের জন্য বিখ্যাত ছিল ? 

উত্তরঃ— প্রয়াগ।

৪৫) পরবর্তী বৈদিক যুগে উল্লেখিত ‘ত্রপু’ কথাটির অর্থ হল—

উত্তরঃ— টিন।

৪৬) বৈদিক যুগে সুদে ঋণ দেওয়ার বিষয়ে প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়— 

উত্তরঃ— শতপথ ব্রাহ্মণে।

৪৭) বৈদিক যুগের কোন যজ্ঞানুষ্ঠানে পশুবলি দেওয়ার প্রথা প্রচলিত ছিল ?

উত্তরঃ— বাজপেয়ী।

৪৮) লাঙ্গল নির্মাণের ক্ষেত্রে বৈদিক আর্যরা কি ধরনের কাঠের ব্যবহার করত ? 

উত্তরঃ— খাদির এবং উদামবর।

৪৯) ঋগ্বেদের বৈদিক যুগে রাষ্ট্রব্যবস্থার একক হিসাবে গণ্য করা হত?

উত্তরঃ— বিশ।

৫০) ঋগ্বেদের অধিকাংশ সূক্ত বা স্তুতি কোন দেবতার উদ্দেশ্যে রচিত ?

উত্তরঃ— ইন্দ্র।

৫১) বৈদিক যুগে ‘দ‍্যূতক্রীড়ায়’(পাশাখেলায়) রাজার প্রধান সহায়ক ছিলেন?

উত্তরঃ— অক্ষবাপ

৫২) পরবর্তী বৈদিক যুগের ‘গোবিকর্তন’ বলতে বোঝায়?

উত্তরঃ— মৃগয়ায় রাজার সহগামী ব্যক্তি।

৫৩) বৈদিক ধর্ম ও পরবর্তীকালে কি নামে বিকাশ লাভ করে ?

উত্তরঃ— ব্রাহ্মণ ধর্ম।

৫৪) বৈদিক আর্যরা প্রথম যে অঞ্চলে বসতি স্থাপন করেছিল, সেটি হল?

উত্তরঃ— সপ্তসিন্ধু।

৫৫) বৈদিক সাহিত্যের কোন অংশে ‘নারীকে সকল দুঃখের কারণ’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে ?

উত্তরঃ— ঐতরেয় ব্রাহ্মণ।

৫৬) ঋগ্বেদের বৈদিক যুগে যুদ্ধের দেবতা ছিলেন?

উত্তরঃ— ইন্দ্র।

৫৭) কোন ধরনের বিবাহে পাত্র নিজের বিবাহে নিজেই পৌরোহিত্য করেন ?

উত্তরঃ— দৈব বিবাহ।

৫৮) বৈদিক সভ্যতার অর্থনীতি কিসের উপর নির্ভর ছিল?

উত্তরঃ— কৃষিকাজ ও পশুপালন।

৫৯) অধর্ম বিবাহে ‘স্ত্রীধন’ লাভের অধিকারী হল?

উত্তরঃ— পিতা

৬০) ব্রহ্মচর্য সমাপনের পর কোন সংস্কারটি পালন করা হত ?

উত্তরঃ— সমাবর্তন।

৬১) পরবর্তী বৈদিক যুগে ‘পশুপতি মহাদেব’ হিসেবে যে দেবতার পূজো করা হত, তিনি হলেন—

উত্তরঃ— রুদ্র।

৬২) বৈদিক সভ্যতা কোন যজ্ঞ কে ঋষি যজ্ঞ বলা হত ?

উত্তরঃ— ব্রহ্ম যজ্ঞ।

৬৩) ‘বেদ’ শব্দটি ‘বিদ’ থেকে উৎপত্তি হয়েছে এই ‘বিদ’ শব্দের অর্থ কি ?

উত্তরঃ— জ্ঞান।

৬৪) বৈদিক যুগের দুটি বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান ছিল—

উত্তরঃ— সভা ও সমিতি।

৬৫) কে ১৩টি সংস্কারের কথা বলেন ?

উত্তরঃ— পরাগকর

৬৬) স্ত্রীর স্বামী যে বিবাহে স্ত্রীধন অপুত্রক স্ত্রী-র মৃত্যুর পর পান—

উত্তরঃ— প্রজাপত‍্য, দৈব, ব্রহ্ম, অর্স

৬৭) মনুর মতে ‘বর্ণশঙ্কর’ বলতে কি বোঝায় ?

উত্তরঃ— মাতার বর্ণ পিতার বর্ণের থেকে উচু

৬৮) সংস্কার সম্বন্ধে প্রথম যথাযথ ব্যাখ্যা পাওয়া গেছে?

উত্তরঃ— বৃহদারণ্যক উপনিষদে।

৬৯) বেদারম্ভ সংস্কার উল্লেখ করা হয়েছে?

উত্তরঃ— ব্যাস স্মৃতি।

৭০) ঋগ্বেদে চর্মকারকে কি বলা হত?

উত্তরঃ— চর্মন্ন।

শ্রী বাবলু মালাকার

(সনাতন ধর্মের প্রচারক, বাংলাদেশ)।

Post a Comment

0 Comments