বৈদিক ঋষিদের আলোচনা,
(আর্যভট্ট (৪৭৬ খ্রিস্টপূর্ব)— গণিতশাস্ত্র আর জ্যোতির্বিদ্যা)।
(ভাস্করাচার্য (১১১৪ থেকে ১১৮৩ খ্রিস্টপূর্ব)— বীজগণিতে মহা পণ্ডিত (অ্যালজেবরা)।
(কণাদ (৬০০ খ্রিস্টপূর্ব)— পারমাণবিক তত্ত্বের প্রতিষ্ঠাতা)।
(নাগার্জুন (১০০ খ্রিস্টপূর্ব)— রাসায়নিক বিজ্ঞান)।
(চরক (৬০০ খ্রিস্টপূর্ব)— ঔষধ বিজ্ঞান)।
(সুশ্রুত (৬০০ খ্রিস্টপূর্ব)— অস্ত্রোপচারের পুনঃসংযোজনবিদ (সর্বপ্রথম প্ল্যাস্টিক সার্জেন)।
(বরাহ মিহির (৪৯৯ থেকে ৫৮৭ খ্রিস্টপূর্ব)— বিখ্যাত জ্যোতিষী ও জ্যোতির্বেত্তা)।
(পতঞ্জলি (২০০ খ্রিস্টপূর্ব)— যোগ পণ্ডিত (ইংরেজিতে yoga)।
(ভরদ্বাজ (৮০০ খ্রিস্টপূর্ব)— ব্যোমযান প্রযুক্তিবিদ্যার বিজ্ঞ (বিমান সম্বন্ধী বিজ্ঞান)।
(কপিল (৩০০০ খ্রিস্টপূর্ব)— বিশ্বতত্ত্ব/সৃষ্টিতত্ত্বের মহা পণ্ডিত (ইংরেজিতে কসমোলজি)।
"বেদ'ই শ্রেষ্ট বিজ্ঞান" এই কথা মান করা উচিৎ কারণ
"বেদ থেকেই বিজ্ঞানের সৃষ্টি" অপরা বিদ্যা্ বিজ্ঞান বিদ্যা্ বেদশাস্ত্র হতে গ্রহণ করা হয়েছে। পবিত্র বেদ বলেই দিয়েছে যে পৃথিবী, সুর্য, অন্যান্য গ্রহ-নক্ষত্র থেকে শুরু করে সমগ্য সৃষ্টি গতিশীল।
শ্রী বাবলু মালাকার
সনাতন ধর্মের প্রচারক, বাংলাদেশ।
0 Comments
ওঁ তৎ সৎ
নমস্কার