Bablu Malakar

पवित्र वेद धर्म मानव मात्र का एक है, मानवों के धर्म अलग अलग नहीं होते

অপৌরুষেয় বেদ' বাণীতে গোহত্যা ও গোমাংস খাওয়া সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ

                আপনি কেন গোমাংস খাবেন না
জেনে নিন সনাতনী হিন্দুগণের কেন গোহত্যা ও গোমাংস খাওয়া সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ—

মায়ের বুকের দুধ না পাওয়া পুত্রসন্তান যখন গোমাতার দুধ খেয়ে বাঁচে সেই পুত্রসন্তানরা কিভাবে গোমাতা ও গোমাতার পুত্র সন্তানদের হত্যা করতে পারে।

নরপিশাচরা কিছুদিন পর হত্যা ও কাটাকাটি করে আমাদের গোমাতা ও গোমাতার পুত্রদের সনাতন ধর্মে 'অপৌরুষেয় বেদ' বাণীতে গোহত্যা ও গোমাংস খাওয়া সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে দেখুন...

★ সনাতন ধর্মের হিন্দুরা কেন গোমাংস খায় না বা গোহত্যা করে না? আসুন দেখি পবিত্র বেদে গোহত্যা ও গোমাংস খাওয়া নিয়ে কি বলেছে?

☞ আমরা সবাই গোমাতার স্বয়ংসেবক ☜
গোহত্যা বেদ বিরুদ্ধ ও শাস্ত্র বিরুদ্ধ সম্পর্কে উল্লেখিত আছেঃ-

☞ হে ধেনু সকল! তোমরা কৃশ মনুষ্যকে হৃষ্টপুষ্ট কর। অশুচি মনুষ্যকে পবিত্র কর, গৃহকে মঙ্গলময় কর। তোমাদের কথা মঙ্গলময় হউক। সভাসমূহে তোমাদের বহুগুণ বর্ণনা করা হয়।
➢ (অথর্ববেদ ৪.২১.৬)

☞ যদি তুমি আমাদের গরু, অশ্ব ও প্রজাদিগকে হিংসা কর, তবে তোমাকে সীসকের গুলি দ্বারা বিদ্ধ করিব। আমাদের মধ্যে যেন বীরদের বিনাশকারী।
➢ (অথর্ববেদ ১.১৬.৪)

☞ গোমাতা ও গোপুত্রদের রক্ষা করতে হবে, গোহত্যা নিষিদ্ধ।
➢ (যজুর্বেদ ১৩.৪৯)

☞ হে মনুষ্য তোমরা গোমাতা ও মহিষ সমূহকে কখনো হত্যা করো না, এরা নিরীহ, এরা তোমাদের দুধ প্রদান করে, কৃতজ্ঞ করে, এদের রক্ষা কর।
➢ (যজুর্বেদ ১৩.৪৯)

☞ গো পশুদের সুরক্ষা করুন,
➢ (যজুর্বেদ ১৪.৮)

☞ গোহত্যাকারীদের ধ্বংস করো ।
➢ (যজুর্বেদ ৩০.১৮)

☞ গোমাতার মর্যাদা সব সম্মানের উপর বিদ্যমান।
➢ (অথর্ববেদ ১১.১.৩৪)

☞ তোমার খাদ্যের জন্যে গম, চাল, বার্লী, ডাল ইত্যাদি ফসল দন্তের উপযোগী, কিন্তু যেসব পশু বা মানব পিতা-মাতা তুল্যযোগ্য তাদের মাংস তোমার শরীরের জন্যে উপযোগী নয়।
➢ (অথর্ববেদ ৬.১৪০.২)

☞ গোমাতা আমাদের সমৃদ্ধি-স্বাস্থ্য-ঐশ্বর্য নিয়ে আসে।
➢ (ঋগ্বেদ ১.১৬৪.২৭)

☞ গোবংশের জন্যে জলের ব্যবস্থা করতে হবে।
➢ (ঋগ্বেদ ৫.৮৩.৮)

☞ হে মানব যে নিজের প্রজাতি, ঘোড়া, দুধ দেওয়া গোমাতা, অন্যান্য পশুর মাংস খাবে বা ধবংস করবে তার কঠোর শাস্তি হবে।
➢ (ঋগ্বেদ ১০.৮৭.১৬)

☞ গোমাতা-গোপুত্র (ষাড়) গৃহের সমৃদ্ধি আনো।
➢ (যজুর্বেদ ১২.৭৩)

☞ সিদ্ধ মাংস বা রান্না করা মাংস বা পুরুষ-স্ত্রী পশু বা ডিম বা সদ্যোজাত পশু সন্তানের মাংস ভক্ষণকারী ধ্বংস হবে পদে পদে।
➢ (অথর্ববেদ ৮.৬.২৩)

☞ কেউ গোবংশ-ঘোড়া-নিজের মাতৃভূমি লোকেদের ধ্বংস করতে এলে তাদের সীসার গুলি দিয়ে বধ করো।
➢ (অথর্ববেদ ১.১৬.৪)

☞ অর্ঘ্ন হিসেবে গোমাতা ভালোবাসো-হত্যার পাপ হতে বিরত থাকো-তার বাছুরগুলোকে আদর করো।
➢ (অথর্ববেদ ৩.৩০.১)

☞ গোবংশ যদি খুশি-সুস্বাস্থ্য থাকে তাহলে পুরুষ-স্ত্রী সকল রোগ থেকে মুক্ত থাকবে, ঐশ্বর্যবান হয়ে উঠবে। শত্রুদের গোমাতার ওপর কোন অস্ত্র প্রয়োগ করা উচিত নয়। যারা গোবংশের সেবা-দেখভাল করে ভগবানের আর্শীবাদ সর্বদা প্রাপ্ত হয়।
➢ (ঋগ্বেদ ৬.২৮)

☞ আঘ্ন্যা গরু আমাদের সুসাস্থ্য ও উন্নতি আনো।
➢ (ঋগবেদ ১.১৬৪.২৭)

☞ আঘ্ন্যা গরুর জন্য সুপেয় জলের উন্নত ব্যবস্থা থাকা উচিত।
➢ (ঋগবেদ ৫.৮৩.৮)

☞ এখানে মানুষ, ঘোড়া ও গোমাংস আহারকারিদের শাস্তির কথা বলা আছে। ☜

☞গোহত্যা কে মানুষ হত্যারসমকক্ষ বলা হয়েছে ও এর সাথে জড়িতদের শাস্তি দিতে বলা হয়েছে।
➢ (ঋগবেদে ৭.৫৬.১৭)

☞ বেদে আঘ্ন্যা . অহি , ও অদিতি হচ্ছে গরুর সম্পদ। আঘ্ন্যা মানে যাকে হত্যা করা উচিত নয়। অহি মানে যার গলা কাটা / জবাই করা উচিত নয়। অদিতি মানে যাকে টুকরো টুকরো করা উচিত নয়। ☜

☞ গোমাতা কে হত্যা করবে না বা টুকরো টুকরো করে কাটা সম্পূর্ণ অবৈধ, গোমাতা নির্দোষ ও অদিতি প্রাণী।
➢ (ঋগ্বেদ ৮.১০১.১৫)

☞ গোহত্যা এবং গোমাংস খাওয়া সম্পূর্ণ ভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। (ঋগ্বেদ ৮.১০১.১৫) ☜

☞ নির্দোষকে হত্যা করা মহাপাপ, আমাদের গোবংশ, ঘোড়া, সাধারণ মানুষকে হত্যা করবেন না।
➢ (অথর্ববেদ ১০.১.২৯)

☞ গো হত্যা মানব হত্যার সম মহাপাপ, যারা গোহত্যার সাথে জড়িতো থাকবে তাদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে।
➢ (ঋগ্বেদ ৭.৫৬.১৭)

☞ গোমাতা অর্ঘরুপী তাই যেকোন কারণে হোক না কেনো হত্যা করা যাবে না, তাদের জল-সবুজ গোগ্রাস দিয়ে তাদের সমৃদ্ধ করতে হবে যাতে জ্ঞান, অর্থ, কাম, মোক্ষ লাভ হয়। অর্ঘ্যনা, অহি, অদিতি তিন রুপী গোবংশ হত্যা নিষিদ্ধ।
➢ (ঋগ্বেদ ১.১৬৪.৪০) ও (অথর্ববেদ ৭.৭৩.১১) এবং (অথর্ববেদ ৯.১০.২০)।

                        সনাতন ধর্মে যজ্ঞের

☞ পশু যজ্ঞের অর্থ পশু হত্যা না বলি নয়, অগ্নির অনুষ্ঠান যাকে “অধবার্যু” যা অহিংসা – আধ্যাত্মিকতার প্রতীক, যজ্ঞকে “অদর্বা” ও বলে, এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে ভূমি, জল, বায়ু, অগ্নি, আকাশ, সূর্য যারা জীবের প্রাণের বাহক যারা ৩৩ প্রকার দেবতার মধ্যে অন্যতম, বিভিন্ন গ্রহ-উপগ্রহ এই পশুর ন্যায় ভ্রাম্যমান, অশ্ব, গোও, অজা (ছাগল), অভি (ভেড়া) প্রতীক হলো চাল, ধান, ফলের রস, বিভিন্ন ফসল যা প্রকৃতি শুদ্ধির জন্যে উৎসর্গ ও ধন্যবাদ এই পরমাত্মা প্রকৃতির।
➢ (যজুর্বেদ ২২.৩২) ও (যজুর্বেদ ৩৬.২২)

☞ দ্বিপদী ও চতুষ্পদী প্রাণীর রক্ষা করো হে মানব।
➢ (যজুর্বেদ ৬.১১)

● ॐ শান্তিঃ ॐ শান্তিঃ ॐ শান্তিঃ

☞ সকলকে অনুরোধ এটি শেয়ার করুন এবং অনেক জনকে এগুলো কপি করে পাঠান। গোহত্যা #বন্ধ করতে সবার কাছে প্রচার করুন।

☞ এতে আপনার কতটুকু পূন্য হবে জানি না, তবে বেদবাণী প্রচারে আপনার কোনো পাপ হবে না।

☞ কমেন্টে সবাই বলুন ☜
''আমি গর্বিত, আমি হিন্দু"
"দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান চায়"

        শ্রী বাবলু মালাকার
(সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ, চট্টগ্রাম)

বেদ ভাষ্য রেফারেন্স অনুবাদঃ— তুলসী শর্মা
প্রচারেঃ- পবিত্র বেদ

জয় শ্রীরাম
হর হর মহাদেব

Post a Comment

0 Comments