গো মাতাকে সনাতনীরা গাভী মাতা বলে থাকে, তাই এই বিষয়ে আমি ছোট্ট একটি (লজিক) দিয়ে উত্তর দিচ্ছি।
আমাদের ধর্মীয় পরিচয়ে আমরা সনাতন। আবার এটা বাদ দিলেও একটা বড় পরিচয় থেকে যায় তা হচ্ছে আমরা মানুষ আর তার গুন হচ্ছে—
১) অন্যের ক্ষতি না করা।
২) অন্যের উপকার করা।
৩) উপকারীর প্রতি কৃতজ্ঞ বোধ করা।
এখন মূল প্রসঙ্গে যাচ্ছি,
আমরা সবাই ছোট শিশু হয়েই জন্মগ্রহন করি৷ অনেকের জন্মের সময় কিংবা জন্মের কিছুদিন পরে মা মারা যায় তখন সেই শিশুটির দায়ীত্ব হয়তো অন্য কেউ নিতে পারে কিন্তু শিশুটিকে খাদ্য হিসাবে কি দিবে কারন সেই শিশুটি আমাদের মত শক্ত খাবার যেমন ভাত শাকসবজি কিংবা মাংস ভক্ষনের উপযুক্ত নয় তখন শুধুমাত্র ভরসা গাভীর দুগ্ধ৷
আমার পরিচিত ও অপরিচিত মধ্যে ফ্রেন্ডলিষ্টের অনেকেই বিবাহিত এবং স্ত্রী যার সন্তান এখনো হয়নি, বা অবিবাহিত মেয়ে দিদিরা সবাই বড় হওয়ার পরেও বকের দুধ এখনো আসে নাই, কখনো কি ভেবে দেখেছেন ছোট্ট বাচ্চা শিশুর মুখে কি দেবেন? তার জন্য শুধুমাত্র ভরসা গাভীর দুধের উপর।
আরো একটা চিন্তা করুন আমরা সাধারণত ভাবে অসুস্থ হয় বা হয়ে থাকি যেদিন থেকেই অসুস্থ যাপন করি সেদিন থেকে নিজেকে সুস্থ ও পরিপুষ্ট করার জন্য বেছে নেই গাভীর দুধ৷ কারন বিজ্ঞান প্রমান করেছে যে গাভীর দুধে শুধুমাত্র ভিটামিন সি বেতিত সকল প্রকার ভিটামিনের পুষ্টি রয়েছে৷
আরো অনেক বিষয় আছে যা লিখে শেষ করা যাবে না কখনো। এখন দেখবো আমরা কতটুকু মনুষ্যত্ব জ্ঞান লাভ করেছি?
মা মারা গেলে সে গাভীর দুধ দরকার এবং বেশেকমে আমরা সবাই ছোট্ট থেকে বড় হয়েছি তাও গাভীর দুধ খেয়ে৷ এখানে একটি বিষয় হচ্ছে যখনই একটি জন্ম দেওয়া বাচ্চা মায়ের দুধ না আসলে তখন বাচ্চাকে গাভীর দুধ খাওয়াতে হয়৷ এবং আরো একটি বিষয় যখন একটি মানুষ অসুস্থ হলে গাভীর দুধ খাওয়াতে হয় পরিপুষ্ট জন্য আর তার কৃতজ্ঞতা বোধ হিসাবে গাভীর মাংস ভক্ষন করব তাই না এই আমাদের মনুষ্যত্ব জ্ঞান।
গরুর দুধই মাতৃদুগ্ধ এর বিকল্প এর কারণ তাই মায়ের মতোই মনে করি বলে গাভী মা বা গোমাতা বলে থাকি।
গাভীকে মা হিসাবে দেখবেন নাকি অন্যকিছু আপনার নিজের চিন্তার উপর নির্ভর করবে।
ঈশ্বর আমাদের অন্যান প্রাণীর থেকে একটি চোখ বেশি দিয়েছেন তা হল বিবেক চোখ তাই সবকিছুই বিবেচনা করে বিবেক কে প্রশ্ন করুন অবস্যই উত্তর পেয়ে যাবেন।
দেখুন মায়ের বুকের দুধ না পাওয়া পুত্রসন্তান যখন গোমাতার দুধ খেয়ে বাঁচেন সেই পুত্রসন্তানরা কিভাবে ওই গোমাতা ও গোমাতার পুত্র সন্তানদের হত্যা করতে পারেন।
গোহত্যা বন্ধ করুন,
সনাতন ধর্মকে রক্ষা করুন।
বিঃদ্রঃ যে মানুষটি মনুষ্যত্ব বোধ অর্জন করতে পারে না, তার আর পশুর মধ্যে কোন পার্থক্যই তাকে না।
নিজেদের মিথ্যা ভাবদ্বারা ভাববাদী চেতনা পরিত্যাগ করুন, সঠিক তত্ত্ব দিয়ে সনাতন ধর্মকে রক্ষা করুন।
ওঁ শান্তি! ওঁ শান্তি! ওঁ শান্তি!
জয় শ্রীরাম
হর হর মহাদেব
শ্রী বাবলু মালাকার
(সনাতন ধর্মের প্রচারক)
0 Comments
ওঁ তৎ সৎ
নমস্কার