Bablu Malakar

पवित्र वेद धर्म मानव मात्र का एक है, मानवों के धर्म अलग अलग नहीं होते

স্বভাবমতে আরাধনা


ঈশ্বরের আরাধনার মাধ্যম হিসেবে আমরা সাকার রুপের আরাধনা করে থাকি।
কিন্তু দূর্গা পূজা সহ বিভিন্ন পূজায় যে অশ্লীলতা আমাদের সমাজের কিছু শ্রেণীর মানুষ করে। তা সত্যি নিন্দনীয়। পূজা পার্বণ  তাদের নিজের স্বভাব অনুসারে করে থাকে।
☞যেমন -যে মদ খায়, সে  মদ খেয়ে পূজার প্যান্ডেলে নাচে।এভাবে তার আরাধনা।
যার মন নোংরা নষ্টামিতে পরিপূর্ণ সে পূজাতে অশ্লীল গানে নৃত্য করে পূজাতে।এটাই তার আরাধনা।

☞আসুন মহাভারতে যোগেশ্বর  শ্রীকৃষ্ণ অজুর্ণকে ঈশ্বর আরাধনা নিয়ে কি বলেছিলেন একটু জানার চেস্টা করি।

"কামৈস্তৈস্তৈর্হৃতজ্ঞানাঃ প্রপদ্যন্তেন্যদেবতাঃ৷
তং তং নিয়মমাস্থায় প্রকৃত্যা নিয়তাঃ স্বয়া৷৷"
☞(শ্রীমদ্ভগবতগীতা ৭.২০)

☞অর্থ: যাদের মন জড়-কামনা বাসনা দ্বারা বিকৃত তারা
 দেব-দেবীর শরণাগত হয়ে এবং তাদের স্বীয়(নিজ) স্বভাব অনুসারে নিয়ম পালন করে দেবতাদের উপাসনা করে।

#জড় কামনা বাসনা দ্বারা বিকৃত বলতে কি বোঝাচ্ছেন তা আমরা হইত সবাই বুঝেছি।
#স্বীয় স্বভাব অনুসারে নিয়ম পালন করে বলতে কি বোঝাচ্ছেন তা আমরা হইত বুঝেছি।

এবার আপনিই বিচার করুন...
আপনি নিজেকে মদ্যপায়ী মনে করেন তাহলে পূজাতে মদ খেতে পারেন।কারণ আপনার স্বভাব এটাই।
আপনি নিজেকে অশ্লীল মনে করেন তবে অশ্লীল গানে নৃত্য করে পূজা পার্বণ পালন করতেই পারেন। কারণ আপনি অশ্লীল।

আর সেসব ব্যক্তিদের শ্রীকৃষ্ণ কি বলে সম্বোধন করেছেন আসুন একটু দেখি।

☞"দম্ভ ও অহংঙ্কারযুক্ত এবং কামনা ও আসক্তির প্রভাবে বলান্বিত হয়ে যে সমস্ত অবিবেকী ব্যক্তিরা তাদের দেহ ও ইন্দ্রিয় সমূহকে এবং অন্তরস্থ পরমাত্মাকে কষ্ট দিয়ে শাস্ত্র বিরুদ্ধ ঘোর তপস্যার অনুষ্ঠান করে তাদের আসুরিক বুদ্ধিবিশিষ্ট বলে জানবে।"
☞গীতা (১৭.৫-৬)

★আসুন নিজের মন থেকে তামসিক ভাব দূর করে সাত্ত্বিক ভাবে আরাধনা করি ঈশ্বরের★

☞লেখকঃবিজয় বিদ্যার্থী
☀সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ☀

Post a Comment

0 Comments