দেবী সরস্বতীকে নিয়ে বিস্তারিত তথ্যঃ-
দেবীকথাঃ— সরস্বতী শব্দের অর্থ কি ?
সরস্বতী শব্দের দুই অর্থ - একটি ত্রিলোক্য ব্যাপিনী সূর্যাগ্নি, অন্যটি নদী।
সরস্ + বতী = সরস্বতী, অর্থ জ্যোতির্ময়ী।
আবার সৃ ধাতু নিস্পন্ন করে সর শব্দের অর্থ জল।
অর্থাৎ যাতে জল আছে তাই সরস্বতী। ঋগ্বেদে আছে 'অম্বিতমে নদীতমে দেবীতমে সরস্বতী', সম্ভবত সরস্বতী নদীর তীরেই বৈদিক এবং ব্রাহ্মণ্য সংস্কৃতির উদ্ভব।
সরস্বতী শুধু বৈদিক যুগেই নয়, পরবর্তীকালে মহাভারত, পুরাণ, কাব্যে পূতসলিলা সরস্বতীর মহিমা বর্ণিত হয়েছে। সরস্বতী নদীর উৎপত্তিস্থল ছিল হিমালয়ের সিমুর পর্বতে, সেখান থেকে পাঞ্জাবের আম্বালা জেলার আদবদ্রী নামক স্থানে সমভূমিতে অবতরণ করেছিল। যে প্রসবণ থেকে এই নদীর উৎপত্তি তা ছিল প্লক্ষ্ণাবৃক্ষের নিকটে, তাই একে বলা হতো প্লক্ষ্ণাবতরণ। ঋগ্বেদের যুগে গঙ্গা যমুনা ছিল অপ্রধান নদী, সরস্বতী নদীই ছিল সর্বপ্রধান ও সর্বাপেক্ষা প্রয়োজনীয়। এর তীরে ছিল প্রসিদ্ধ তীর্থভূমি। সরস্বতী ও দৃষদ্বতীর মধ্যস্থান দেবনির্মিত স্থান হিসেবে বিবেচ্য হত। ব্রাহ্মণ ও মহাভারতে উল্লেখিত সারস্বত যজ্ঞ এই নদীর তীরে অনুষ্ঠিত হত। মহাভারত রচনা হওয়ার আগেই রাজপুতানার মরুভূমিতে সরস্বতী নদী অদৃশ্য হয়ে গেলেও কয়েকটি স্রোতধারা অবশিষ্ট ছিল। এই স্রোতধারা হল চমসোদ্ভেদ, শিবোদ্ভেদ ও নাগোদ্ভেদ। রাজস্থানের মরুভূমির বালির মধ্যে চলুর গ্রামের নিকটে সরস্বতী অদৃশ্য হয়ে ভবানীপুরে দৃশ্য হয়, আবার বলিচ্ছপুর নামকস্থানে অদৃশ্য হয়ে বরখের নামক স্থানে দৃশ্য হয়। তান্ডমহাব্রাহ্মণে সরস্বতী নদীর উৎপত্তিস্থল হিসাবে প্লক্ষ্ণপ্রস্রবণ ও বিনাশস্থল হিসেবে বিনশনের নামোল্লেখ আছে। লাট্যায়ণের শ্রৌতসূত্র মতে, সরস্বতী নামক নদী পশ্চিম মুখে প্রবাহিতা, তার প্রথম ও শেষভাগ সকলের প্রত্যক্ষ গোচর, মধ্যভাগ ভূমিতে নিমগ্ন যা কেউ দেখতে পায় না, তাকেই বিনশন বলা হয়। অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণের মতে, বৈদিক সরস্বতীর লুপ্তাবশেষ আজও কচ্ছ ও দ্বারকার কাছে সমুদ্রের খাড়িতে গিয়ে মিলিত হয়েছে। সরস্বতী নদীর বিনাশ ঘটেছিল অবশ্যই বৈদিক যুগের শেষভাগে, একমতে খ্রিস্টের দেড় হাজার বছরেরও আগে। মহাভারতে আছে যে নিষাদদের চোখের আড়ালে থাকার জন্য বিনাশণ নামক স্থানে মরুভূমিতে অদৃশ্য হয়েছে। নদীর স্থানীয় নামই এই ঐতিহ্য বহন করছে। আবার অনেকে বলেন, সিন্ধুনদই সরস্বতী। সরস্বতী ও সিন্ধু দুটি শব্দের অর্থই নদী।
“চন্দ্রের নূতন কলাধারিণী, শুভ্রকান্তি, কুচভরনমিতাঙ্গী, শ্বেত পদ্মাসনে আসীনা, হস্তে ধৃত লেখনী ও পুস্তকের দ্বারা শোভমানা বাগ্দেবী সকল বিভবপ্রাপ্তির জন্য
আমাদিগকে রক্ষা করুন।”
সরস্বতী দেবীর পূজা কি অর্থে এবং অন্য সকল দেব-দেবীর ন্যায় দেবী সরস্বতীরও স্বকীয় কোন শারিরীক অস্তিত্ত্ব আছে কি নেই সেই মীমাংসা আত্মোপলব্ধির দ্বারা জানা যায়...
“সরস্বতী” কথার ব্যুৎপত্তিগত অর্থ – ‘সরস’ –এর
সাথে বতুপ প্রত্যয় যোগে অ স্ত্রী লিঙ্গে ‘ঈ’ যোগ করে ‘সরস্বতী’ শব্দটি নিষ্পন্ন হয়েছে।
‘সরস’ কথার অর্থ রসাল বা সমৃদ্ধ, ক্ষমতা থাকা অর্থে
বতুপ প্রত্যয়। তাহলে সরস্বতী কথার অর্থ দাঁড়ায় সমৃদ্ধ বা উন্নত করার ক্ষমতা যার আছে এমন কোন ব্যক্তি
বিশেষ। আর্যাবর্তে সরস্বতী নামে যে নদী ছিল (এখন লুপ্তপ্রায়) এই নদীতটেই বৈদিক ঋষিদের আবাসস্থল ছিল। বৈদিক ঋষিদের সম্মিলিত বেদপাঠ উক্ত স্থান মুখরিত করে রাখত বলে উক্ত স্থান বাগ্দেবীর আবাস হিসেবে বিবেচিত হতে থাকে। এই নদীকে জ্ঞান উদ্দীপনা বা বাক্যের উৎপাদয়িত্রা হিসেবেই পূজা করেছেন ঋষিরা। কালক্রমে বিভিন্ন উপাখ্যানের সূত্রে এই নদীকে দেবী সত্তায় উন্নীত করা হয়েছে।
ঋগবেদের ১।১৪২।৯ শ্লোকে বাগদেবী হিসেবে ভারতী স্বর্গস্থ বাক, ইলা পৃথিবীস্থ বাক এবং সরস্বতী অন্তরীস্থ বাক এই তিনটি নাম পাওয়া যায়। শৈবাগম সাধকদের নিকট সাধারণভাবে ইনি বাণী, বীণাপানি, বাগদেবী, শুভ্রা, হংসবাহনা প্রভৃতি নামে পরিচিত। সরস্বতীর আটটি শক্তি বিদ্যমান। এই শক্তিগুলোহল- শ্রদ্ধা, ঋদ্ধি, কলা, মেধা, পুষ্টি, প্রভা ও মতি।
অর্থাৎ স্বয়ং ঈশ্বরের জ্ঞানপ্রদায়িনী রূপের প্রতীকই হলেন দেবী সরস্বতী। আর তাই সরস্বতীরূপে ঈশ্বরকেই মাতৃরুপে জ্ঞানপ্রদায়িনী হিসেবে পুজা করি আমরা।
বেদে সরস্বতী সম্পর্কে কিরূপ বলা হয়েছে।
ওঁ চোদয়িত্রী সূনৃতানাং চেতন্তী সুমতীনাং।
যজ্ঞং দধে সরস্বতী॥
(ঋগ্বেদ, ১/৩/১১)
অনুবাদঃ- সত্য ও প্রিয়বাণীর (মঙ্গলজনক বা মানব হিতকর কথা) প্রেরণাদাত্রী এবং সৎ বুদ্ধির চেতনাদাত্রী মাতা সরস্বতী শুভ কর্মকে ধারণ করিয়া আছেন।
ওঁ মহো অর্ণঃ সরস্বতী প্রচেতয়তি কেতুনা।
ধিয়ো বিশ্বা বিরাজতি॥
(ঋগ্বেদ, ১/৩/১২)
অনুবাদঃ- জ্ঞানদাত্রী মাতা সরস্বতী প্রজ্ঞাশক্তি দ্বারা মহান জ্ঞান সমুদ্রকে প্রকাশ করেন এবং ধারণাবতী বুদ্ধি সমূহকে দীপ্তি দান করেন।
ওঁ শংনো দেবা বিশ্বদেবা ভবন্তু শং সরস্বতী সহ ধীভিরস্তু।
শমভিষাচঃ শমু রাতিষাচঃ শং নো দিব্যাঃ পার্থিবাঃ শন্নো অপ্যাঃ।।
(ঋগ্বেদ, ৭/৩৫/১১)
অনুবাদঃ- জ্ঞান জ্যোতির রক্ষক বিদ্বানেরা আমাদের কল্যাণ বিধান করুন। বিদ্যাদেবী সরস্বতী নানা প্রকারে বুদ্ধির সঙ্গে কল্যাণদায়িনী হোক, বাহুবলে বলীয়ান এবং অন্যের আশ্রয়ে বলীয়ান দিব্য, পার্থিব এবং জলচর প্রাণীর আমাদের কল্যাণ সাধন করুক।
বৈদিকযুগে মাতা সরস্বতী বিভিন্নভাবে পূজিতা হয়ে থাকলেও তাকে ঋষিরা প্রধানত দুইটি রূপে বন্দনা করে থাকতেন। (১) নদীরূপে (২) মাতৃ বা দেবী রূপে। এই বিষয়ে এবার আমরা প্রামাণিক বৈদিক মন্ত্র দেখাবো
ওঁ অম্বিতমে নদীতমে দেবীতমে সরস্বতী।
অপ্রশস্তা ইব স্মাসি প্রশস্তিমল্ব নস্কৃধি॥
(ঋগ্বেদ, ২/৪১/১৬)
অনুবাদঃ- মাতৃগণের মধ্যে শ্রেষ্ঠ, নদীগণের মধ্যে শ্রেষ্ঠ, দেবীগণের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হে সরস্বতী! আমরা অসমৃদ্ধের ন্যায় রয়েছি, আমাদের সমৃদ্ধশালী কর।
সরস্বতী ‘দেবীতমে’ ‘অম্বিতমে’ ও ‘নদীতমে’ নামে আখ্যায়িত। এভাবে সরস্বতী মহিমাও ত্রিবিধ-দেবী, মাতা ও নদীরূপা।
পরম জ্যোতিস্বরূপিণী বলে তিনি দেবীতমা।
পরম জ্ঞানদান করেন অবোধ ও অজ্ঞান সন্তানকে পালন করেন অন্ধকার থেকে আলোতে নিয়ে আসেন, এবং মায়ের মত কণ্ঠে ফুটিয়ে তুলেন ভাষা।।
তাইতো তিনি অম্বিতমা....।।
মাতৃভাষা, মাতৃসভ্যতা ও মাতৃভূমি বৈদিকযুগের দেশভক্তিতে সরস্বতী রয়েছেন দেখুন।
ওঁ ইলা সরস্বতী মহী তিস্রো দেবীর্ময়োভুবঃ।
বর্হিঃ সীদং-ত্বস্রিধঃ।।
(ঋগ্বেদ, ১/১৩/৯)
অনুবাদঃ- মাতৃভাষা, মাতৃসভ্যতা ও মাতৃভূমি এই তিন দেবী কল্যাণ দান করেন। এই তিন দেবতা আমাদের অন্তঃকরণে স্থায়ীভাবে অসস্থান করেন।
তিস্রো দেবীর্হবিষা বর্দ্ধমানা ইন্দ্রং জুযাণা জনয়ো ন পত্নীঃ।
অচ্ছিন্নং তং তুং পয়সা সরস্বতীডা দেবী ভারতী বিশ্বতূর্ত্তীঃ।।
(যজুর্বেদ, ২০/৪৩)
অনুবাদঃ- মাতৃভূমি, মাতৃভাষা ও মাতৃসভ্যতা এই তিন শক্তিময়ী দেবী সন্তানবতী পত্নীর ন্যায় দুগ্ধ ও হবন দ্বারা প্রভু পরমাত্মার পূজা করে এবং অচ্ছেদ্য সূত্র রচনা করেন।
এই মন্ত্রে আমরা দেখতে পেলাম তিনি যেমন মাতৃগণের মধ্যেও শ্রেষ্ঠ তেমনি নদীর মধ্যেও। এই সরস্বতী মা এক বিশাল নদী ছিল বৈদিক যুগে, যদিও বর্তমানে সেটা লুপ্ত। কিন্তু ঋষিদের বর্ণনায় আমরা সেই নদী সম্পর্কে বর্ণনা পাই।
যেমনঃ—
ওঁ প্র ক্ষোদসা ধায়সা সস্র এষা সরস্বতী ধরুণামায়সী পূঃ।
প্রবাবধানা রক্ষেব যাতি বিশ্ব অপো মহিনা সিন্ধুরন্যাঃ॥
একচেতৎ সরস্বতী নদীনাং শুচির্যতী গিরিভ্য আসমুদ্রাৎ।
(ঋগ্বেদ, ৭/৯৫/১-২)
অনুবাদঃ- এ সরস্বতী আয়োনির্মিত পুরীর ন্যায় ধারয়িত্রী হয়ে ধারক উদক (জল) সাথে প্রবাহিতা হচ্ছেন। তিনি অন্য সমস্ত স্যন্দনশীল জলকে মহিমাদ্বারা বাধা প্রদান করে পথের ন্যায় গমন করেছেন। নদীগণের মধ্যে শুদ্ধা গিরি অবধি সমুদ্র পর্যন্ত গমনশালী একা সরস্বতী অবগত হয়েছিলেন।
ওঁ বৃহদু গারিষে বচোহসূর্যা নদীনম্ ।
সরস্বতী মিণহয়া সুবৃক্তিভিঃ স্তোমৈর্ব সিষ্ট রোদসী॥ ১
উভে যরে মহিনা শুভ্রে অন্ধাসী অধিক্ষিয়ন্তি পুরবঃ।
সানো বোধবিত্রী মরুৎসখা চোদ রাধো মযোনাম্॥ ২
(ঋগ্বেদ, ৭/৯৬/১-২)
অনুবাদঃ- হে বশিষ্ঠ! তুমি নদীগণের মধ্যে বলবতী সরস্বতীর উদ্দেশ্যে বৃহৎ স্তোত্রগান রচনা কর, দ্যাবা পৃথিবীতে বর্তমানা সরস্বতী! তোমার মহিমা দ্বারা মনুষ্যগণ উভয়বিধ অন্ন প্রাপ্ত হয়। তুমি রক্ষাকারিণী হয়ে হয়ে আমাদের অবগত হও, মরুৎগণের সখা হয়ে হবিষ্মানদের নিকট ধন প্রেরণ কর।
বৈদিকযুগে সরস্বতী নদীর তীরে মনোরম প্রাকৃতিক নতুন পরিবেশে, কল্লোলিনীর উচ্ছল জল তরঙ্গে শ্বেত শুভ্র রাজহংসের আনাগোনায়, সামগানের সুমধুর সুরে ভাবুক ঋষিমনে জ্ঞানদায়িনী সরস্বতী মাতার আবির্ভাব হয়। তিনি বাগদেবী বেদের অধিষ্ঠাত্রী দেবী।
নিরুক্তকার যাস্ক বলেছেনঃ— 'তত্র সরস্বতী ইতি এতস্য নদী বদ্বোবচ্চ নিগমা মূল ঋগ্বেদে সরস্বতীর উভয় প্রকার গুণ লক্ষিত হয়।
পুরাকালে সরস্বতী নদীর তীরে যজ্ঞ সম্পাদন হত এবং ক্রমে সে সরস্বতী নদী সে পবিত্র মন্ত্রের দেবী ও বাগদেবী বলে পরিণত হলেন। বেদে সরস্বতী শুধু বিদ্যাদায়িনী বা জ্ঞানদায়িনী নয় তিনি অশুভ শক্তি ধ্বংসকারী।
ওঁ সরস্বতী দেবনিদো নি বর্হয় প্রজাং বিশ্বাস্য বৃসয়স্য মায়িনঃ।
উত ক্ষিতিভ্যোহবনীরবিন্দো বিষমেভ্যো অস্রবো বাজিনীবতি॥
(ঋগ্বেদ, ৬/৬১/৩)
আনুবাদঃ- হে সরস্বতী তুমি দেবনিন্দকগণকে বধ করেছ এবং সর্বব্যাপী মায়াবী কৃসয়ের পুত্রকে সংহার করেছ। হে অন্নসম্পনা দেবী! তুমি মানবগণকে ভূমি প্রদান করেছ এবং তাদের জন্য বারিবর্ষণ করেছ। মাতা সরস্বতী আমাদের অশুভশক্তি বিনাশে শক্তি দিয়ে থাকেন।
ওঁ যস্ত্বা দেবী সরস্বতুৎপব্রুতে ধনে হিতো ইন্দ্রংন বৃত্রতূর্যে।
(ঋগ্বেদ, ৬/৬১/৫)
অনুবাদঃ- হে দেবী সরস্বতী যে ব্যক্তি তোমাকে ইন্দ্রের ন্যায় স্তব করেন সে ব্যক্তি যখন ধনলাভার্থে যুদ্ধ করেন তখন তাকে তুমি রক্ষা কর।
দেবী সরস্বতী শুচি শুভ্র, শ্বেত অঙ্গকান্তি, শ্বেতপদ্মাসীনা এবং শ্বেত হংসবাহনা। তার কৃপায় মানুষের জাগতিক এবং পারমার্থিক জ্ঞান লাভ হয়। তিনি সঙ্গীতের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। সঙ্গীত ও রাগের সমন্বয়ে ‘ওঁ কার ও গায়ত্রী মন্ত্র শুদ্ধাচারে উচ্চারণে জীবাত্মা পরমাত্মায় লয় হয়।
উপনিষদে বলা হয়েছেঃ-
ওঁ বিদ্যাং চাবিদ্যাং চ যস্তদ্ বেদোভয়্সঁহ।
অবিদ্যয়া মৃত্যুং তীত্বা বিদ্যায়াহমৃতমশ্নূতে॥
(ঈশ উপনিষদ/১)
অনুবাদঃ- যে মানুষ সেই উভয়কে অর্থাৎ জ্ঞানের তত্ত্বকে ও কর্মের তত্ত্বকে ও একসঙ্গে যথার্থ রূপে জানতে পারে। সে কর্মসমুহ অনুষ্ঠানে মৃত্যুকে অতিক্রম করে আর জ্ঞানের অনুষ্ঠানে অমৃতকে উপভোগ করে অর্থাৎ আনন্দময় অমৃত লাভ করে। মার কৃপাতে আমরা উভয়বিধ জ্ঞানই পেয়ে থাকি। উপরের বর্ণনায় এটা প্রমাণিত যে দেবী সরস্বতী বেদের যুগ থেকেই পূজতিা।
মাঘ মাসে শ্রী পঞ্চমী ব্রতে সরস্বতী পূজার সময় ২/১টা বেলপাতা ও আম্রমুকুল খাওয়ার বিধান আছে।
এই দেবী সরস্বতী স্বয়ং ঈশ্বরের রুপেই আছেন।
ওঁ শান্তি ওঁ শান্তি ওঁ শান্তি
জয় শ্রীরাম
হর হর মহাদেব
শ্রী বাবলু মালাকার
(সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ, চট্টগ্রাম)

0 Comments
ওঁ তৎ সৎ
নমস্কার